পুলিশের এস.আই. হতে চান? নিয়োগের পরীক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

পুলিশের এস.আই. হতে চান? নিয়োগের পরীক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিনঃ

পুলিশের এস.আই. হতে চান? নিয়োগের পরীক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিনঃ

সাব-ইন্সপেক্টর, ৩৭তম ব্যাচ (নিরস্ত্র)।

এসআই নিয়োগ পদ্ধতি:

সাব-ইন্সপেক্টর [S.I.]-এর নিয়োগ প্রক্রিয়া সাধারণত 4টি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে শারীরিক পরীক্ষা হয়, শারীরিক পরীক্ষায় 225 নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হয়। এরপর 100 নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হয়। মৌখিক পরীক্ষায় সুড়সুড়ি হলো সর্বশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন।

সাদ্দাম হোসেন খান, সাব-ইন্সপেক্টর, ৩৭তম ব্যাচ

1. পরীক্ষার আগের রাতে মাঠে নিয়ে যাওয়ার জন্য সমস্ত কাগজপত্র একটি ব্যাগে রাখুন। পরীক্ষা শেষ হলে বিকেল ও সন্ধ্যা হয়ে যাবে, তাই আগের রাতে পর্যাপ্ত ঘুম পান।

2. যে ছেলেরা মাঠে পরীক্ষা দেবে তারা ফুল প্যান্টের নিচে শর্টস এবং শার্ট বা টি-শার্টের নিচে স্যান্ডো গেঞ্জি পরবে। এগুলোর জন্য ফিটনেস পরীক্ষার জন্য সময় লাগবে, কারণ আপনি ফুল প্যান্ট পরে দৌড়াতে বা লাফ দিতে পারবেন না।

3. সকালে নাস্তা করে নির্ধারিত সময়ের আগে মাঠে যান।

4. মাঠে যাওয়ার পর, প্রথমে আপনার উচ্চতা মাপা হবে। যাদের উচ্চতা 5’4″ এর বেশি তারাই এখানে নির্বাচিত হবে এবং বাকিরা বাদ পড়বে।

5. নির্বাচিতদের 10-12 জনকে ভাগ করে একটি রান দেওয়া হবে এবং যারা দৌড়ের আগে আসবে তাদের মধ্য থেকে 8 বা 9 জনকে বাছাই করা হবে। এটি মাঠ পরীক্ষার সারমর্ম। আপনি এখানে ক্লিক করলে, আপনি রিটার্ন পরীক্ষার ফর্ম আশা করতে পারেন।

(এখানে একটি কৌশল অনুসরণ করুন, আপনি সর্বদা তাদের দলে দৌড়ানোর চেষ্টা করবেন যারা আপনাকে উচ্চতা এবং শরীরের দিক থেকে দুর্বল বলে মনে করেন। এটি আপনার জন্য টিকাদানকে সহজ করে তুলবে)

. মাঠে লং জাম্প আর দড়ি দেওয়া একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। সাধারণত খুব একটা বাকি থাকে না।

6. নির্বাচিত প্রার্থীদের উচ্চতা, ওজন এবং নথি পরীক্ষা করার পরে, আপনাকে আসল ফর্ম দেওয়া হবে। আপনাকে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মূল ফর্মটি পূরণ করতে হবে এবং জমা দিতে হবে (কয়েক দিন উপলব্ধ), সমস্ত কাগজপত্রের একটি সত্যায়িত অনুলিপি সহ।

. আগে মাঠে নামার সুযোগ পেলে নাকি ৫০ টাকার চালান কাটবে। আপনার পরিচিত কারো সাথে সোনালী ব্যাংক থেকে 300। এতে আপনার সময় বাঁচবে।

আসুন জেনে নিই কিছু সহজ জিনিসঃ

1. চশমা পরার জন্য কাউকে বাদ দেওয়া হয় না, তবে মাঠে চশমা ব্যবহার না করাই ভালো।

2. কোন দাঁতের সমস্যা নেই, কোন কাটা বা ছোটখাটো চর্মরোগ নেই।

3. দুই পায়ের আকৃতিতে দাঁড়ালে হাঁটুর ব্যথার সমস্যা থাকলে ঘরে প্রতিদিন কোলবালি ব্যবহার করুন। ইতিবাচক ফলাফল পান। (কিন্তু সব পরিসরে এটি পরীক্ষা করে না)

4. আপনার উচ্চতা অনুযায়ী ওজন বেশি হলে, ভাত না খেয়ে কয়েক রাত এবং সকালে দৌড়ান। আপনার ওজন কম হলে, দিনে 3 বার পূর্ণ খাবার খান এবং মাঠে আপনার ওজন মাপার আগে 2 লিটার জল পান করুন।

5. আপনাকে আপনার স্থায়ী ঠিকানা অনুযায়ী মাঠে দাঁড়াতে হবে। বর্তমান ঠিকানা বলে দ্বৈরথে না গেলে নিজের পায়ে কুড়াল মারবে।

মাঠ পরীক্ষা সাধারণত এভাবেই করা হয়। তবে জেলাভিত্তিক কিছু পরিবর্তন হতে পারে। মাঠের বিষয়গুলো মাঠের উপর নির্ভর করে স্যার,

তাই যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে সবকিছু করুন। যদি তারা আপনাকে ফর্ম না দেয়, আপনার কিছুই করার নেই। তাই সবাই সার্কুলারে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঙ্গে নেবেন।

সম্ভব হলে, সমস্ত কাগজপত্র 2 সেটে ফটোকপি করুন এবং আপনার সাথে নিয়ে যান। আপনার মাঠে এগুলো না থাকলেও, আপনি ফর্ম জমা দেওয়ার কয়েকদিন পরেই পাবেন।

সব কিছু ফটোকপি করে সত্যায়িত করতে অনেক কষ্ট হয়। তাই আগে থেকেই সবকিছু গুছিয়ে নিন। সবার জন্য শুভকামনা.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *